বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনার জন্য আবারও আবেদন আহ্বান করেছে

প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী উপযুক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে। আবেদন করার সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর। যোগ্য ও উপযুক্ত স্পন্সররা নতুন সিলমোহরকৃত আবেদন জমা দিতে পারবে।

প্রক্রিয়াকরণ ফি হিসেবে প্রতিটি আবেদনের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে যেকোনো তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ইস্যুকৃত পাঁচ লাখ টাকার অফেরতযোগ্য পে অর্ডার জমা দিতে হবে। তবে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন সীমা ১২৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করেছে। ২০২৩ সালে অনুমোদিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, শাখাহীন সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। ডিজিটাল ব্যাংকের স্পন্সরদের ন্যূনতম মূলধন প্রদান করতে হবে এবং লাইসেন্স পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে ব্যাংককে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে।

এর আগে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই অন্তর্বর্তীকালীন লাইসেন্স বাতিল করেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরেফ হোসেন খান জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করার পর পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারে। পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চাইলে স্পন্সরদের মূলধন ১২৫ কোটি টাকার পরিবর্তে ৩০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে।