প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ১৪ মাস পর অবশেষে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার ব্রিফিংয়ে জানা গেল, বিভিন্ন দেশের ভিসা এখন জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে সরকার মনে করছে—এখন সময় নিজের ঘর গোছানোর। কিন্তু ‘ঘর গোছানোর’ এই আলোচনা যখন সামনে এসেছে, ততদিনে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এমনকি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতেও এখন ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা কানাডা—সবসময়ই ছিল বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও ধনী শ্রেণির পছন্দের গন্তব্য। অন্যদিকে, মধ্যবিত্তদের জন্য জনপ্রিয় ভ্রমণ দেশ ছিল থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। কিন্তু এখন সেই দেশগুলোতেও বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠছে। এমনকি উচ্চবিত্তরাও এসব দেশে যাওয়ার জন্য অপেক্ষার তালিকায় রয়েছেন।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসা না পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “আমরা সমাধানের পথে এগোচ্ছি।” তবে পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অধিকাংশ উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশই বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা দিতে অনীহা প্রকাশ করছে। এমনকি যেসব দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসা চালু আছে, সেখান থেকেও বাংলাদেশিদের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই সমস্যার সমাধান কী? আপাতত সরকারের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা ইস্যুর হার আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও বাড়ানো হবে।